
বিহারে বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে: নেপালের বৃষ্টিতে বিপদসীমার উপরে গণ্ডক, কোসি ও গঙ্গা
- Rashtrix News Desk

- 6 days ago
- 1 min read

নেপাল ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে টানা বৃষ্টির জেরে বিহারে বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে। গণ্ডক, কোসি, বুড়ি গণ্ডক এবং গঙ্গার একাধিক গেজ স্টেশনে জলস্তর বিপদসীমা বা সতর্কতা স্তরের কাছে পৌঁছেছে কিংবা তা ছাড়িয়েছে। ফলে নিচু এলাকা ও নদীবাঁধ সংলগ্ন অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
চাপ বাড়ছে একাধিক নদীতে
সাম্প্রতিক বন্যা-পর্যবেক্ষণ তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের দুমরিয়াঘাটে গণ্ডক বিপদসীমার উপরে রয়েছে। কোসিও বিরপুর ও কুরসেলার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। গঙ্গার একাধিক স্টেশনেও জলস্তর বিপদসীমার উপরে উঠেছে।
শুধু একটি নদী নয়, একাধিক অববাহিকায় চাপ বাড়ছে। খগড়িয়ায় বুড়ি গণ্ডক বিপদসীমার উপরে রয়েছে। পটনা ও ভাগলপুরের গঙ্গা তীরবর্তী এলাকাতেও জলস্তর বৃদ্ধি উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
নেপালের বৃষ্টির প্রভাব কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
বিহারের বহু বড় নদীর উৎস বা জলাধার হিমালয় ও নেপালের সঙ্গে যুক্ত। নেপালের পাহাড়ি জলাধারে প্রবল বৃষ্টি হলে সেই অতিরিক্ত জল দ্রুত সমতলের নদীগুলিতে নেমে আসে। আগে থেকেই নদী ফুলে থাকলে পরিস্থিতি আরও দ্রুত বদলাতে পারে।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তের সাম্প্রতিক হিমালয় বিপর্যয়ের পর পাহাড়ি নদী ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। তার মধ্যেই নেপালে চলা বৃষ্টি বিহারের দিকে নেমে আসা নদীগুলিতে নতুন চাপ তৈরি করছে।
প্রশাসন সতর্ক
নদীর জলস্তর ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিয়ে প্রশাসনের নজরদারি চলছে। দুর্যোগ মোকাবিলা ও জেলা প্রশাসনের দলগুলিকে সতর্ক রাখা হয়েছে। নিচু ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় থাকা মানুষের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি হতে পারে যদি উজানের জল আরও বাড়ে।
এখন কী হতে পারে
আগামী পরিস্থিতি নির্ভর করবে নেপালের জলাধারে বৃষ্টির পরিমাণ, ব্যারাজ দিয়ে জল ছাড়ার মাত্রা এবং নদীগুলির অতিরিক্ত জল বহন করার ক্ষমতার উপর। তাই আগামী কয়েক দিন বিহারের নদীগুলির জলস্তর দ্রুত বদলাতে পারে।
সরবরাহ করা সূত্র ও সাম্প্রতিক বন্যা-পর্যবেক্ষণ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি স্বাধীন ভাবে পুনর্লিখন ও আপডেট করা হয়েছে।



Comments