
যাদবপুরে ভাঙচুর: প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউয়ের ভূমিকা নিয়ে কেন প্রশ্ন?
- Rashtrix News Desk

- Aug 22
- 1 min read
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক হিংসা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠছে প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে ঘিরে। অশান্তির সময় তাঁর উপস্থিতি এবং ঘটনার সঙ্গে কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কী ঘটেছিল?
২০ অগস্ট রাতে ক্যাম্পাসে হিংসার ঘটনা ঘটে। পরের দিনও উত্তেজনা ও ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে আসে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বহিরাগতেরা ক্যাম্পাসে ঢুকে সম্পত্তি নষ্ট করে এবং ঐতিহ্যবাহী অরবিন্দ ভবনের কাছে আগুন জ্বালায়।
ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ক্যাম্পাসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়েছে। পাশাপাশি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রাক্তন উপাচার্যকে ঘিরে প্রশ্ন কেন?
ক্যাম্পাসের গেটের সিসি ক্যামেরার কিছু ফুটেজ সামনে আসার পর অশান্তির সময় প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউয়ের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক জন শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ তাঁর ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এগুলি অভিযোগ এবং তদন্তের দাবি মাত্র। বুদ্ধদেব সাউ কোনও বেআইনি কাজে যুক্ত ছিলেন—এমন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। তদন্তেই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার কথা।
তদন্তে কী কী খতিয়ে দেখা হবে?
সিসি ক্যামেরার ফুটেজ, ক্যাম্পাসে কারা প্রবেশ করেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তির কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং অশান্তির আগে-পরে ঘটনাগুলির ধারাবাহিকতা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনা?
যাদবপুরের ঘটনা ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, বহিরাগতদের প্রবেশ এবং ছাত্র রাজনীতিকে ঘিরে উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। শিক্ষক ও প্রাক্তনীদের একাংশ শিক্ষাঙ্গনে শান্তি এবং স্বাভাবিক পঠনপাঠন ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন।
এর পর কী?
বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি এবং পুলিশের তদন্তের পর ঘটনার পূর্ণ ছবি সামনে আসতে পারে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে দেখা উচিত নয়।




Comments