top of page

তৃণমূলে তীব্র গৃহদাহ: জেলা সভাপতির পদ ছাড়লেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার! আই-প্যাক ও 'দুর্নীতি' নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

  • Writer: Rashtrix News Desk
    Rashtrix News Desk
  • May 27
  • 1 min read

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিপর্যয়ের পর দলের অন্দরের ফাটল এবার প্রকাশ্য রূপ নিল। বারাসতের ৪ বারের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের বারাসত সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। কয়েক দিন আগেই তাঁকে লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে সরাসরি ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাক (I-PAC) এবং দলের একাংশের দুর্নীতিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন এই বর্ষীয়ান নেত্রী।  


কাকলির ইস্তফাপত্রের বিস্ফোরক পয়েন্ট:


  • পরাজয়ের নৈতিক দায়: বারাসত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৫টিতেই দলের পরাজয়ের পর নৈতিক দায় নিয়ে পদ ছাড়লেন তিনি।  

  • আই-প্যাককে তীব্র নিশানা: আই-প্যাকের মতো "ভুঁইফোঁড় সংস্থা"র তীব্র সমালোচনা করে কাকলি অভিযোগ করেন, এই সংস্থার অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা দলের প্রবীণ ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের সঙ্গে চূড়ান্ত দুর্ব্যবহার করেছে। এই ধরনের সংস্থার চাপিয়ে দেওয়া রণকৌশল আগামী দিনে আরও ভয়ঙ্কর ফলাফল ডেকে আনবে বলে সতর্ক করেন তিনি।  

  • দলের অন্দরে দুর্নীতি ও অপরাধীকরণ: অত্যন্ত স্পষ্টভাবে কাকলি স্বীকার করে নেন যে, পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরের নিচুতলার কিছু নেতার তোলাবাজি এবং অপরাধমূলক কার্যকলাপের কারণেই মানুষ তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, যার ফলে আসন সংখ্যা ৮০-তে নেমে এসেছে।  

  • মমতাকে পুরনো কর্মীদের ফেরানোর আর্জি: দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আর্জি জানিয়ে তিনি লিখেছেন, কোনো কর্পোরেট সংস্থার ওপর ভরসা না করে দলের পুরনো, সৎ ও অনুগত কর্মীদের সম্মান দিয়ে রাস্তায় নেমে রাজনীতিতে ফিরলেই দলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার সম্ভব।

Comments


bottom of page