
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন: মমতার সমর্থনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান
নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, পশ্চিমবঙ্গে একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, নন্দীগ্রামে তাঁর গোষ্ঠী কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করবে।
নন্দীগ্রামে কী ঘটল
ঘটনাপ্রবাহ দ্রুত বদলায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠী নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করেছিল। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সঞ্চিতা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা জানান, তাঁর গোষ্ঠী নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে।
নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর হওয়ার কথা। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৯ সেপ্টেম্বর।
কোন মামলায় গ্রেফতার?
আনন্দবাজার এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলার সূত্রে মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র উদ্ধৃত করে কয়েকটি প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকার কথাও বলা হয়েছে। মামলার নির্দিষ্ট আইনি অবস্থান আদালতের প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতারের সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অভিযোগ করেন, তাঁর সমর্থন ঘোষণার পরেই পুরনো মামলা সামনে আনা হয়েছে। কংগ্রেস নেতারাও সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এগুলি রাজনৈতিক অভিযোগ; উপলব্ধ প্রতিবেদনে সমর্থন ঘোষণাই গ্রেফতারের কারণ ছিল—এমন কোনও প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
একই সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে আলাদা রাজনৈতিক বিরোধও চলছে। ফলে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
সূত্র নোট: আনন্দবাজার ডট কমের প্রতিবেদন এবং এনডিটিভি, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-সহ সমসাময়িক একাধিক প্রতিবেদনের তথ্য মিলিয়ে Rashtrix এই প্রতিবেদনটি পুনর্লিখেছে।




Comments